একুশ এলেই কৃষ্ণচূড়ার
পাতায় ডালে মৌ জোটে
ভাষার জন্য হৃদয় মাঝে
ভালোবাসার ফুল ফোটে।
বর্ণমালায় গাঁথবো মালা
তাই লিখেছি গান ছড়া
গানের সুরের অন্তঃপুরে
কেবল অভিমান ভরা।
ইতিহাসের পাতায় পাতায়
লাল ছোপ ছোপ রয় মিশে
শাসক শ্রেণী সুযোগ পেলেই
জনতাকে যায় পিষে।
দেশভাগে দুইখণ্ড হলো
ভারত এবং পাকিস্তান
বিল্লি সেজে দিল্লি খেলো
বাংলাদেশের বাকি স্থান।
অন্য অংশ পাকিস্তানের
পূর্ব প্রদেশ, সেই থেকে
শাসন শোষণ বঞ্চনা রয়
বাংলা মায়ের মুখ মেখে।
নানান ভাষার নানান মানুষ
রাষ্ট্রভাষা কী হবে
দিন না যেতেই জিন্না বলেন
উর্দু বহাল জি তবে।
গর্জে ওঠে বীর বাঙালি
নানা নানা নো নো নো
বাংলা আমার মাতৃভাষা
অন্যটা চাই না কোনো।
সেদিন থেকেই ভাষার লড়াই
আশার লড়াই আর স্বপন
প্রাণে প্রাণে সূচিত হয়
স্বাধীনতার বীজ বপন।
রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই এ
স্লোগান যেন মত্ত ঢেউ
ফেব্রুয়ারির মিছিল চলে
রাজপথে, বাদ রয় না কেউ।
কারফ্যু ভেঙে মিছিল মিটিং
চললো গুলি রাইফেলে
রফিক সালাম শহিদ হলেন
কেউ গেলো না ভাই ফেলে।
শহিদ হলো অহিউল্লাহ
আর কারো কি শুনবে নাম
ভাষার জন্য জীবন দিয়ে
বাংলা পেলো কী যে দাম!
একুশ পেলো বিশ্বজনীন
ভাষা দিবস স্বীকৃতি
এবার লড়াই বাংলাটা পাক
দূষণ থেকে নিষ্কৃতি।
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি ২০২৫



