ভূতের চিকন লম্বা দুপা লম্বা দুখান হাত
ভূতের নামে শনি মঙ্গল অমাবশ্যা রাত।
ভূতের শরীর ইরল চিরল নিমগাছে তার বাস
ভূতের হি হি হাসি তোরা কে কে দেখতে চাস?
ভূতের চয়েস ইলিশে তাই মাতাল হয়ে মাতে
ভূতের মিটিং শ্মশান ঘাটে ঠিক বারোটা রাতে।
ভূতের চক্ষুবিহীন মুণ্ডু লম্বা দুটো কান
ভূতের আছে ভাই বেরাদর হাজার পোলাপান।
ভূতের নানার দুচোখ কানা শূন্যে মারে ঘুষি
ভূতের নাতি লাঞ্চে আস্ত ছাগল হলেই খুশি!
ভূতের প্রিয় কাক নিশি রাত নৃত্য করে সখে
ভূতের নানির বিশহাত লম্বা জিহ্বাটা লকলকে।
ভূতের বেসুর গলা হঠাৎ চেঁচায় ভীষণ কড়া
ভূতের হামলা ইলিং চিলিং চক্ষু ছানাবড়া!
ভূতের ছড়া লিখছি হিরেন দাদুর কথা শুনে
ভূতের হাতেই বিশটি চাটি খেলাম গুনে গুনে।
ভূতের এমন অদৃশ্য হাতের খেয়ে চাটি
মনে তো আর হয় না আছে পায়ের নিচে মাটি।
ভূতের রাগী কাঁপছে গলা অভিযোগের ঝড়ে
ভূতের গোষ্ঠী নিয়ে কেনো লাগলে উঠে পড়ে?
ভূত করেছে ক্ষতি কী তোর কিম্বা কোনো দোষ
ভূতের উপর কোন কারণে বল দেখি তোর রোষ?
ভূতের কেমন বিদঘুটে চোখ কর্কশ স্বর-রূপ
ভূতের ভয়ে ভিমরি খেয়ে হলাম আমি চুপ।
ভূতের কোনো দোষ না, তারা একশত ভাগ খাঁটি
ভূতেরা মান সম্মানে বেশ দিব্যি পরিপাটি।
ভূতের আছে দিন রাত্রি আছে ভবিষ্যৎ
ভূতের ছড়া লিখবো না আর নাকে দিলাম খত!
প্রকাশকাল: মার্চ ২০২৫


