আম-কাঁঠালের বাহাস

0
5

বাহাস করে চাতালে,
জেনারেল হাসপাতালে,
ভর্তি হবে ফলেরা,
হলো নাকি কলেরা?

কলেরা নয়, টাইফয়েডও
কিংবা কাশি-যক্ষ্মা,
সময়টাতে খুব প্রয়োজন
কঠোর প্রতিরক্ষা|

আম মহাশয় বলে, ‘আমার
ঝড়ের সাথে দোস্তি,
খেলি না তো মানুষজনের
পেটের সাথে কুস্তি|’

কাঁঠাল খেলে কুস্তি সেতো
সবার আছে জানা,
আমকে কাঁঠাল বলে, ‘তোকে
মানুষ করে ছানা|

বটি দিয়ে কাটে তোকে
কিংবা জুসের মেশিন,
আমকে অর্ডার করে মানুষ
বিকাশেতে ক্যাশিন|’

আম বলে সে, ফলের রাজা,
কাঁঠাল জাতীয় ফল
কেউ মানে না কারোর কথা
অপেক্ষাতে একপল|

ভাই শুনে যাও, গাই গুনে যাও,
আম কিনে যাও বস্তা,
কাঁঠাল সে তো কিনে না লোক
ঘরেই পচে, সস্তা|

কাঁঠাল খেয়ে বিচিগুলা
ভর্তা করে লোকে,
খাচ্ছে দেখো ছেলেবুড়ো
কত্তখানি সুখে|

কাঁঠাল বলে, ‘আমবাবু, শোন,
তোর আঁটি দেয় ফেলে’
আম বলে, ‘তা যায় না বৃথা,
নতুন গাছ এক মেলে|’

আমসাহেবের হার্টঅ্যাটাক খুব,
রোডে ট্রাফিক আইন,
অ্যাম্বুলেন্সটা ডাকো দ্রুত,
ডায়াল ট্রিপল নাইন|

সদরের ওই হাসপাতালে
সিট খালি নেই শুনো,
দেয়ালজুড়ে পানের পিকে
শিল্পকর্ম বুনো|