‘পরীবানুকে ইহজন্মে আমি ভালো কিছু শেখাতে পারব না। হাজার বার বলেছি না, ডাল বাগার দেয়ার সময় রান্নাঘরের দরজাটার কপাট টাইট করে আটকে নেবে। কথা কানে যায় না ছেলেটার। মাথায় তো গোবর ছাড়া কিচ্ছু নেই—তারপর আবার গোয়ার্তুমিও ছাড়ে না। হোপলেস। ’
হিজলের মা রাগ সামলাতে পারছেন না। তাঁর রাগের নায্য কারণও রয়েছে বটে। হিজলের সামনে এসএসসি। যেন তেন পরীক্ষা নয় তো। জীবনের রাজবাড়িতে প্রবেশের সিংহদুয়ার। এসএসসি পরীক্ষা বলে কথা!
মোহসিনা বানু তার মেধাবী লক্ষ্মী ছেলে হিজলকে সর্বক্ষণ নজরে নজরে রাখেন। কারণ ছেলে তার ভাল ছাত্র। ক্লাসের প্রথম বালক— ফার্স্ট বয়। চাট্টিখানি কথা নয় ।
হিজলের পরীক্ষা যত ঘনাবে হিজলদের আঠারো শ’ স্কয়ার ফিটের ফ্লাটটা তত ‘মৌনব্রত’ পালনে আপসহীন হবে। গতকাল বিকেলে ছেলের জন্য অনেক খেসারত দিয়ে দামি একজন ম্যাথের গৃহশিক্ষক নিযুক্ত করতে কামিয়াব হয়েছেন মোহসিনা বানু। শিক্ষক মহোদয়ের দুর্ভেদ্য শিডিউলে খানিক সময় পাওয়া, হাতে আকাশের চাঁদ পাওয়ার শামিল। সকাল এগারোটায় তিনি পদধূলি দিয়েছেন। সুসজ্জিত রিডিং রুমে ম্যাথ স্যার আর পড়ুয়া ছাত্র হিজলের প্রাথমিক কিছু জরুরি আলাপ আলোচনা পর্ব চলছিল। ছুটির দিন। সকাল সকাল নাশতা পর্ব শেষ হয়েছে। বিড়ালের মতো নিঃশব্দ পায়ে গৃহকর্মী চাঁদনী জরুরি হাঁটা চলাচল করছিল। রান্নাঘরে পরীবানু রাঁধুনী। অপকর্মটি সেই করল আজ। তপ্ত তেলে ইচ্ছামতো পেঁয়াজ, রসুন, শুকনো মরিচ এবং পাঁচফোড়ন দিয়ে মহানন্দে ঘন মসুরের ডাল বাগার দিয়েছেন। একে তো ছন ছন শব্দদূষণ, তার ওপরে বার্গারের ঘ্রাণ! করিডোর সয়লাব হয়ে গেছে সে সুগন্ধে ! হিজলের অঙ্ক শেখায় বিঘ্ন ঘটল নির্ঘাত। তা ছাড়া প্রথম দিনেই এমন কাণ্ড। দামি টিচার না জানি কী ভাবলেন!
হিজলের ছোট ভাই তমাল। এক হাঁড়ির ভাত খায় দুজনে কিন্তু তমাল পড়ুয়া ছাত্র নয়। তার মনোযোগ আলে ডালে ঘুরে বেড়ায়। বইয়ের পাতায় নয়। তমাল ক্লাসে প্রথম দশজনের মধ্যে দশম স্থানেই বিরাজ করছে বছর দুই। মায়ের একটি মাত্র স্বপ্ন তাঁর দুই ছেলেই ক্লাসে প্রথম হবে। স্কুুল পেরিয়ে আরো বড় বড় পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হবে। এ স্বপ্ন কেনই বা পূরণ হবে না? তিনি তো জীবনের সর্বসুখ বিসর্জন দিতে এক পায়ে খাড়া। ছেলে দুটোর অত্যুজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায়। দিন রাত কড়া নজরদারিতে রেখেছেন সন্তানদের। বন্ধু স্বজন পড়শি সবার মায়াজাল থেকে নিজেকে আলাদা করেছেন পর্যন্ত।
ছেলেদের স্কুলে যান নিয়মিত। হিজলের ক্লাসমেটের মায়েরা মাঝেমধ্যে ছেঁকে ধরেন মোহসিনা বানুকে। হিজল ব্রেকফাস্টে কী খায়? রাতের গ্লাস ভর্তি দুধটা কী ডিনারের সাথে সাথেই খেয়ে নেয় নাকি ঘুমাতে যাবার আগে খায়? হাজার প্রশ্ন। হাজার কৌতূহল মায়েদের। মোহসিনা বানুর মনপ্রাণ জুড়িয়ে যায়— কুলফি বরফ হয়ে যায়। আজ এই ছেলের জন্যই তো তাঁর এই সম্মান! তমাল এবার ক্লাস এইটে। কই ওর ক্লাসের ছেলেদের মায়েরা তো তাকে ঘিরে ধরে না! বলে না, আপা ছেলেকে কোন ফলের জুস বেশি খাওয়ান? ফলটল খাওয়াতে দশবার ভাবতে হয়। ফরমালিনের ভয়। শিহাবের মায়ের ফলভক্তি বেশি। তিনিই বেশি জানতে চান। শিহাব হিজলের ক্লাসমেট। সে ক্লাসের পঞ্চম স্থানে আছে। ছেলেরা আর কী লেখাপড়া করছে আজকাল, তাদের মায়েরাই করছে বেশি!
তমালকে নিয়ে নাজেহাল ওর মা। এইটুকু ছেলে তার দিন দুনিয়ার হাজারটা বিষয়ে অদম্য কৌতূহল। টবে মরিচের দানা বুনে দিন গুনতে থাকে চারা বেরুলে এক দুপুর আনন্দ করেই কাটিয়ে দেয়। তমালের ছয়টা টব আছে বেলকনিতে। তাতে সাদা গোলাপ, হলুদ জবা, অপরাজিতার লতা আছে। এমন একটি দিন নেই যে সে গাছগুলোয় পানি দেয়নি, নিড়িয়ে দেয়নি। অথচ ইংরেজি ট্রানস্লেশন বা অঙ্ক করতে বললে তার মিষ্টি মুখখানা কালো হয়ে আসে। গত বছর তার আদরের পুষি বিড়ালটি রহমান সাহেবের গাড়ির নিচে পড়ে গিয়ে চ্যাপ্টা হয়ে গেল। তমাল প্রাণান্ত সেবাযত্ন করেছিল। কিন্তু আদরের পুষিটা চলে গেল মায়া কাটিয়ে পরপারে। ছেলেটা গোটা সাত দিন-ক্রিকেট খেলতে গেল না। আধাপেট খেয়ে উঠে পড়ত। বিড়ালছানাটি তমালের কত প্রিয় ছিল তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। আরো কষ্ট হয়েছিল যখন মা বিরক্ত হয়ে বলেছিলেন, ‘আপদ বিদায় হয়েছ্।ে’ তমাল সুযোগ পেলেই ফড়িংয়ের পেছনে ছোটে, প্রজাপতি দেখলে একা একাই হাত তালি দিয়ে গান গায়, ‘প্রজাপতি, প্রজাপতি। কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা।’ …ওর গলায় সুর আছে।
তপ্ত দুপুর পেরিয়ে বিকেলের দিকে হাঁটছে শনিবারের দিনটি। দরজায় লাগাতার কলবেল। হিজলের ছোট মামা ওমর এসেছে! কোনো খবর বার্তা নেই স্বশরীরে হাজির। ফর্সা রঙ পুড়ে ছাই বর্ণ। দীর্ঘ দেহ ক্লান্তিতে যেন নুয়ে পড়তে চায়। অধৈর্য তাঁর গলার স্বর, ‘আপু বাবার স্ট্রোক করেছে! শুধু তোমাকে দেখার জন্য পাগল হয়ে আছেন। চলো নেক্সট কোচ ধরে দুলাভাইকে নিয়ে কুমিল্লায় যাই। আপু সময় নষ্ট করা ঠিক হবে না ।
সব শুনে মোহসিনা বানুর মাথায় যেন সহস্র বজ্রপাত হলো! মনে হলো এমন বিপদ কারো কোনো দিন হয়নি। বাবাকে বানু খুব ভালোবাসেন। তাঁর মন্দ হলে তিনি সইবেন কেমন করে! এদিকে হিজলের এস এস সি পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে এসেছে। ছেলেটা তিনটে কোচিং করে, বাসায় ম্যাথ স্যার আসেন। ওকে রোজ বাচ্চা মুরগি, শিং মাগুর মাছের ঝোল, বান্ধবীর বাগানবাড়ির ফ্রেশ ফল-ফলাদি নিজে হাতে যত্ন করে খাওয়ান। হিজলের এখন এমন স্বভাব হয়েছে যে সে কখন কী খাবে, কখন ঘুমাতে যাবে, কখন গোসল করবে এ বিষয়গুলোও নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। মা তোতা পাখির মতো করে বলেন, সেও রোবটের মতো সব কিছু করে। মা যদি হয় একটি বয়সী বৃক্ষ, তবে হিজল সোনা রঙ স্বর্ণলতা পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে অনেক দূর উঠে যেতে পারে। সটান কাণ্ড তার নেই।
শখের করাতের দাঁতাল দুই সঙ্কটে বোকা বনে যান তিনি। শেষতক ওমরের সঙ্গে কোচে উঠলেন হিজলের মা-বাবা।
মেয়েকে দেখে ঘোলা চোখে মৃদু আলো ফুটলো যেন শরাফত খানের। আটাত্তরের রোগাক্রান্ত শরীরটাও নড়ে চড়ে উঠল! পরদিন মোহসিনা বানুর মা মেহের খানম মেয়েকে বুকে টেনে নিয়ে বললেন, ‘মা রে এতকাল পর বাপের বাড়ি এলি, তাও এই বিপদের দিনে। ছেলেদের পড়াশোনার দোহাই দিয়ে তো বুড়ো মা-বাপকেও দেখতে আসিস না। এলিই যখন তখন দুটো দিন থেকে যা। মোহসিনার দু’চোখে গোমতী নদীর ঢল! এমন কঠিন পরীক্ষাও জীবনে আসে!
এর মধ্যে তমাল পাশের ফ্লাটে থেকে ফোন করেছে ক্যাবল লাইনের ত্রুটির কারণে তাদের ল্যান্ডফোন অচল হয়ে আছে । ছেলেদের হাতে মোবাইল দেননি মোহসিনা। এই যন্ত্রটি ভালোর ভালো, আবার মন্দের মন্দ। তা ছাড়া হিজলের বয়সও কাঁচা। দিন দুই কোথা দিয়ে সূর্য উঠল আর কোথা দিয়ে অস্ত গেল টেরটি পেল না হিজলের মা। চারদিন পর ফিরতে হলো ঢাকায়। বাবা মন্দের ভালো। বোন, দুলাভাইয়ের সাথে ওমরও এসেছেন। খুব জরুরি অফিসিয়াল কাজও আছে তাঁর ।
‘ক্যামেলিয়া’ নামের ফ্লাটের বাড়িটায় ফিরেছেন ওরা। ঘরে ঢুকতে-না-ঢুকতেই পুরনো গৃহকর্মী পরীবানু ছুটে এলো। খালাম্মা ছোট ভাইয়ার বেদম জ্বর! মোহসিনা শুনলেন বিপদ বার্তা। কিন্তু মন্ত্রচালিতের মতো হেঁটে গেলেন হিজলের ঘরের দিকে। ছেলেটা তার কী করছে? মা ছাড়া সে এক রাতও কাটায়নি। হিজল পড়ার টেবিলে মাথা গুঁজে অঙ্কই কষছিল। চারদিকে দিস্তা দিস্তা কাগজ ছড়ানো। মা ছাড়া এগুলোতে হাত দেওয়ার অধিকার কারো নেই যে! তমালের ছোট্ট ঘরটায় ওরা। ওমর মামাও। জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে ছেলেটার শরীর। কোনো রকম চোখ খুলে তমাল বলে, ‘মা…মাগো অনেক জ্বর। কিন্তু ভাইয়াকে আমি বিরক্ত করিনি মা। ভাইয়া পড়াশোনা করেছে।’ মোহসিনা ফ্যালফ্যাল করে ছোট ছেলেটার দিকে চেয়ে থাকেন। মাথায় হাত রাখেন। দুষ্টু ছেলেটা মায়ের নরম হাতটা চেপে কঁকিয়ে ওঠে। ওমর মামা হিজলের কাছে থার্মোমিটার খোঁজে। হিজল অবাক চোখে তাকিয়ে বলে, ‘মামা আমি তো জানি না থার্মোমিটার কোথায় থাকে।’ এবার ওমর মামার জেরা চলতে থাকে। তমালের মাথায় পানি দিয়েছ? দুধ, হরলিক্স, পাউরুটি খাইয়েছ? তোমাদের হাউজ ফিজিসিয়ান ডা. রহমানকে ডাকোনি? হিজল কঠিন পরীক্ষায় হাইস্ট নাম্বার পায়। কিন্তু মামার এমন আজব প্রশ্নগুলোর একটিরও একটা উত্তরও জানা নেই। সে মাথা চুলকাতে থাকে। মিন মিন করে বলে,‘বুয়া কী যেন খেতে দিয়েছিল। আমি জানি না মাথায় পানি কিভাবে দেবো। কখনো দেইনি মামা। আমার কাছে স্যারদের নাম্বার আছে কেবল।
ওমরের মনটা মেধাবী(!) ভাগ্নেটার ওপর বিরক্ত হয়ে উঠল যেন। এ যে আপাদমস্তক একটা গ্রন্থকীট বুকওয়ার্ম! একটা কলা গাছ বৈ কিছু নয়!
পরদিন ডা. রহমান এলেন। তার মুখের অমায়িক হাসিটুকু হঠাৎ যেন নিভে গেল। হিজলের অফিস পাগল বাবা ড. আশরাফ বললেন, ‘আরে আর কয়েকটা ঘণ্টাও যদি ছেলেটা হাই ফিভারে বিনা নার্সিংয়ে পড়ে থাকত তবে বিপদ হতে পারত। কেন হিজল একটা প্যারাসিটামল খাওয়াতে পারেনি?’ ওমরের সেবায়, মায়ের হাতের স্পর্শে তমালের জ্বর বেশ কিছুটা নেমে গেছে। তমাল জানালা দিয়ে আলোভরা আকাশ দেখছে। আপন মানুষগুলোর মুখ দেখছে। যেন সে নরক থেকে স্বর্গে এসেছে!
পাশের ফ্ল্যাটের ইলিয়াস সাহেব দরদি মানুষ। খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন। ওমর মামা বোনের সাথে রান্না ঘরে। তমালের মা নরম খিচুড়ি রাঁধা জানে। হাঁড়ি চড়িয়েছেন চুলোয়। বোনের পাশে দাঁড়িয়ে কতগুলো নতুন কথা বললেন তিনি। সে কথাগুলো অনেক দিন থেকে গুমরে মরছিল মনে ।
‘শোনো বুবু। মাতৃৃস্নেহে অন্ধ হয়ে যেয়ো না। ছেলেদের এতটা আগলে রেখো না । একটু আলো-বাতাস, খানিক ঝড়ো হাওয়া গায়ে লাগাতে দাও। নইলে পরে পস্তাবে। ক্লাসে ফার্স্ট হওয়া জীবনের শেষ কথা নয়। ওরা যেন ভালো মানুষ হয়ে ওঠে সে সাধনাই করো। ড. আশরাফের গলা শোনা গেল। ‘তোমরা কোথায় উধাও হলে? ইলিয়াস সাহেবকে চা পানি দাও।’
‘আচ্ছা এতো ব্যস্ত হলেন কেন ভাই?’ ইলিয়াস সাহেব খানিক বিব্রত ।
আশরাফ সাহেব হেসে উঠলেন, ‘আরে ভাই সেই সাথে আমিও এক কাপ পাবো যে।’
তমালের শরীরটা অনেকটা ঝরঝরে এখন। পরীবানুর হাতের ট্রেতে গরম চা চিঁড়ে ভাজা। ম্লান চেহারা মোহসিনা বানুর। আহা সে কী হেরে যেতে বসেছে! এমন কাজ ভাবনা মনটাকে নাড়িয়ে দিচ্ছে কেন যে!
ইলিয়াস সাহেব চায়ে চুমুক দিতে দিতে বলেন, ‘তমাল ছেলেটা একটা জুয়েল। আমি সেদিন স্কুল গেটের সামনে ওদের দুভাইকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে একটু দাঁড়ালাম। ওখানটায় একটা হাড্ডিসার বৃদ্ধ ফকির করুণ সুরে কাঁদছিল। একটু খাবার চাচ্ছিল বেচারা। ওখানে স্কুল ছুটির পর ছাত্র-অভিভাবকদের জটলাও ছিল। কিন্তু কেউ ওর কান্না শোনেনি। আমি দেখলাম যে আপনার ছেলে তমাল এগিয়ে গিয়ে তার টিফিনের বক্স খুলে দুটো চপ তুলে দিলো বৃদ্ধের হাতে! হিজলও ছিল সেখানে চুপচাপ দাঁড়িয়ে।’ আশরাফ সাহেব গুণী মানুষ। তাঁর কথাগুলো কেমন যেন ভড়কে দিলো মোহসিনা বানুকে ।
ওমর মামার চলে যাবার সময় হয়েছে। হিজলের পড়ার ঘরে ঢুকে আয়েশ করে ডিভানে গা এলিয়ে দিলেন। তাঁর ঠোঁটের কোণে একটা ‘সব পেয়েছি’ ধরনের হাসি লেগে থাকে প্রায়শ। তিনি হেসে হেসেই বললেন, ‘মামু, ও ফার্স্টবয় মামু। শুনি তোমার শখের খবর? পড়াশোনার বাইরে তোমার কোনো শখ আছে? তমালের কিন্তু মিষ্টি গানের গলা আছে। তার অনেক মিষ্টি মিষ্টি শখও আছে।’
হিজলের চোখেমুখে হঠাৎ এক রকম আলো ফুটে ওঠে, ‘হ্যাঁ মামা আমারও খুব গান গাইতে ইচ্ছে করে। বাথরুমে পানির ঝর্ণা ছেড়ে আমি গাই। তবে ভয় করে। মা শুনলে ঠিক বলবেন, গান গাইতে হবে না। পড়াশোনা করো মন দিয়ে।’ বলেই কেমন এক রকম হাসি হেসে ওঠে ছেলেটা! কেমন হাসি! ওমরের বড় মায়া লাগে।
প্রকাশকাল: জুন ২০১৭


